ভোলা রিভার ফ্রেশ — মেঘনা আর তেঁতুলিয়ার মাঝখানের একটা দ্বীপ থেকে।
গরুর ভুঁড়ি, পায়া, দেশি হাঁস — এগুলো আমাদের সবচেয়ে প্রিয় খাবার। কিন্তু রান্নার আগের কাজটা এত ঝামেলার যে বেশিরভাগ বাসায় আর রান্নাই হয় না। ভুঁড়ি পরিষ্কার করতে আড়াই-তিন ঘণ্টা, হাঁসের লোম ছাড়াতে আরও বেশি, আর সারা রান্নাঘরে গন্ধ।
বাজারে যেটা পরিষ্কার করা পাওয়া যায়, সেটা চুন আর সোডা দিয়ে সাদা করা। দেখতে ঝকঝকে, কিন্তু কেমিক্যালে স্বাদটা মরে যায় — রান্নার পর বোঝা যায়।
মাঝখানে কিছু ছিল না। পরিষ্কার, কেমিক্যাল ছাড়া, অথচ হাতে পাওয়ার মতো — সেই জায়গাটাই আমরা নিয়েছি।
ভোলা বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দ্বীপ জেলা। একদিকে মেঘনা, অন্যদিকে তেঁতুলিয়া। মাছ ধরার নৌকা, চরের ছেড়ে পালা হাঁস-মুরগি, স্থানীয় কসাইখানা — সবকিছু হাতের নাগালে।
আমরা এখানেই থাকি। তাই মাঝখানে কোনো আড়ত, কোনো দালাল নেই — যেটা পাঠাই, নিজে দেখে বেছে পাঠাই।
নদী থেকে, চর থেকে, কসাইখানা থেকে — সেদিনেরটা সেদিনই।
শুধু গরম পানি। চুন, সোডা, ব্লিচ বা ডিটারজেন্ট নয়।
ভেতরের স্তর, লোম, কালো অংশ — হাতে ঘষা ছাড়া এগুলো ওঠে না। মেশিনে হয় না।
প্যাকেট খুলে সরাসরি কড়াইয়ে দেওয়ার মতো করে।
যে ওজন লেখা, সেটা পরিষ্কার করার পরের ওজন।
থার্মোকল বক্স, বরফ, সিল করা প্যাক — যাতে ঠান্ডা অবস্থায় পৌঁছায়।
তাই আমাদের জিনিস বাজারের মতো ধবধবে সাদা নয়। ওই সাদাটা কেমিক্যালের রং, খাবারের নিজের রং নয়।
ওটা পুরোটা ফেলে দিই। তাই ৩ কেজি কাঁচা ভুঁড়ি থেকে আমরা পাই মাত্র ১ কেজি — আর দামটাও সেই কারণেই।
প্যাকেটে ১ কেজি লেখা মানে হাতে পাওয়া পরিষ্কার জিনিসটাই ১ কেজি। কমে যাওয়াটা আমরা বহন করি, আপনি নন।
ইলিশের নিষেধাজ্ঞার সময় ইলিশ বন্ধ। সেদিন যা ওঠেনি, সেটা আছে বলে অর্ডার নিই না।
এই কাজটা সহজ নয়। ভুঁড়ির একটা ব্যাচ পরিষ্কার করতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যায়, হাঁসের লোম ছাড়াতে তারও বেশি। আর ভুঁড়ির ক্ষেত্রে অর্ধেকের বেশি ফেলে দিতে হয়।
কম দামে বেচতে গেলে ওই কালো অংশটা রেখে দিতে হতো, বা চুন-সোডা দিয়ে তাড়াতাড়ি সেরে ফেলতে হতো। সেটা আমরা করি না, করবও না। দামের পার্থক্যটা এখানেই — লুকানোর কিছু নেই।
একবার নিয়ে দেখুন। রান্নার পর পার্থক্যটা যদি টের পান, তাহলেই আমাদের কাজ হয়ে গেল। কোনো সমস্যা হলে সরাসরি ফোন দেবেন — নম্বরটা নিচেই আছে।
দাম, সাইজ, ডেলিভারি — যেকোনো কিছু। সরাসরি আমাদের সাথেই কথা বলবেন।