ভোলা থেকে হাতে পরিষ্কার করা গরুর ভুঁড়ি। চুন, সোডা বা কোনো কেমিক্যাল ছাড়া। প্যাকেট খুলে সরাসরি চুলায়।
দেখতে ঝকঝকে লাগে, কিন্তু কেমিক্যালে স্বাদটা মরে যায়। রান্নার পর বোঝা যায়।
ভেতরের স্তরটা না তুললে যত মশলাই দিন, গন্ধ যায় না।
গরম পানি, ঘষামাজা, আর সারা রান্নাঘরে গন্ধ। বেশিরভাগ মানুষ এই কারণেই ভুঁড়ি রান্না করেন না।
ভোলার চর থেকে সকালে সংগ্রহ, সেদিনই প্রস্তুত। প্রতিটা ধাপ নিজের হাতে।
ভোলার কসাইখানা থেকে সেদিনের তাজা ভুঁড়ি, জবাইয়ের পরপরই।
শুধু গরম পানি। কোনো চুন, সোডা, ব্লিচ বা ডিটারজেন্ট নয়।
এই ধাপটাই গন্ধ দূর করে। মেশিনে হয় না — হাতে করতে হয়।
ভুঁড়ির কালো অংশটা আমরা রাখি না, ফেলে দিই। এই কারণেই 3 কেজি কাঁচা থেকে 1 কেজি হয়।
প্যাকেট খুলে সরাসরি কড়াইয়ে দেওয়ার মতো করে কাটা।
যে ওজন লেখা, সেটা পরিষ্কার করার পরের ওজন। যা দেখছেন তাই পাবেন।
থার্মোকল বক্স, বরফ ও সিল করা প্যাক — যাতে ঠান্ডা অবস্থায় পৌঁছায়।
কোনো কেমিক্যাল নেই। চুন নেই, সোডা নেই, ব্লিচ নেই, রং নেই। তাই আমাদের ভুঁড়ি বাজারের মতো ধবধবে সাদা নয় — স্বাভাবিক রঙের। এটাই আসল ভুঁড়ির রং।
হিসাবটা লুকানোর কিছু নেই। কাঁচা ভুঁড়ির একটা বড় অংশ কালো — সেই অংশটা আমরা ফেলে দিই।
মানে আমাদের প্রতি কেজিতে প্রায় দ্বিগুণ কাঁচা ভুঁড়ি লাগে। দামের পার্থক্যটা এখানেই — কমে বেচার জায়গা নেই, কারণ আমরা অর্ধেকের বেশি ফেলে দিই। যা ফেলি, সেটার দামও তো আমরাই দিয়েছি।
৳850/ কেজি
24–48 ঘণ্টায়। ক্যাশ অন ডেলিভারি চলবে।
48–72 ঘণ্টায়। অগ্রিম পেমেন্ট — বিকাশ বা নগদ।
কেন ঢাকার বাইরে অগ্রিম? কাঁচা মাংস ফেরত এলে সেটা আর বিক্রির উপযোগী থাকে না। অগ্রিম নিই বলেই আমরা প্রতিটা প্যাকেটে ভালো বরফ-বক্স আর সিল প্যাক দিতে পারি।
পরের। 1 কেজি মানে হাতে পাওয়া পরিষ্কার, কাটা ভুঁড়ির ওজন 1 কেজি। পরিষ্কার করতে গিয়ে ওজন অনেকটা কমে — সেই কমাটা আমরা বহন করি, আপনি নন।
কারণ আমরা ভুঁড়ির কালো অংশটা ফেলে দিই। ওটা রেখে দিলে 1 কেজি কাঁচা থেকে 500–600 গ্রাম বেরোয়; আমরা ফেলে দিই বলে পাই মাত্র 250–300 গ্রাম। মানে আপনার 1 কেজির জন্য আমাদের প্রায় 3 কেজি কাঁচা ভুঁড়ি কিনতে হয়। দামের পার্থক্যটা পুরোটাই এখানে।
কালো অংশটাই শক্ত, আর ওখানেই গন্ধ সবচেয়ে বেশি ধরে। ওটা বাদ দিলে ভুঁড়ি নরম হয়, গন্ধ থাকে না, আর প্লেটে দেখতেও পরিষ্কার লাগে।
না। গন্ধ আসে ভেতরের স্তর থেকে, আর সেটা হাতে ঘষে তোলা ছাড়া যায় না। আমরা সেই ধাপটা বাদ দিই না — এখানেই সময়টা যায়।
কোনোটাই না। প্যাকেট খুলে সরাসরি কড়াইয়ে দিন। কাটা আছে, ধোয়া আছে।
কারণ আমরা চুন বা সোডা দিই না। ওই ধবধবে সাদাটা কেমিক্যালের রং, ভুঁড়ির নিজের রং নয়। আমাদেরটা স্বাভাবিক রঙের — রান্নার পর পার্থক্যটা স্বাদে বুঝবেন।
ডিপ ফ্রিজে 2–3 মাস। নরমাল ফ্রিজে 3–4 দিন। একবার গলিয়ে ফেললে আবার জমাবেন না।
ঢাকায় ক্যাশ অন ডেলিভারি। ঢাকার বাইরে বিকাশ বা নগদে অগ্রিম।
ভোলা থেকে হাতে পরিষ্কার করা, কেমিক্যাল ছাড়া, কেটে দেওয়া — সরাসরি চুলায়।
৳850 / কেজি